বিভিন্ন প্রসঙ্গে মাত্রা বিবেচনা করার সময়, ১,৩৯০ ফুটের পরিমাপ তার গুরুত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের মধ্যে প্রয়োগের জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। স্থাপত্যে, এই দৈর্ঘ্য একটি আকাশচুম্বী ভবনের উচ্চতা বা একটি সেতুর প্রসারতা নির্দেশ করতে পারে, যা আধুনিক নির্মাণে প্রকৌশল দক্ষতার চিত্রায়ণ করে। উদাহরণস্বরূপ, ১,৩৯০ ফুটের প্রতীকী দৈর্ঘ্য বিশ্বের কিছু সবচেয়ে উঁচু ভবনের কথা মনে করিয়ে দেয়, যেখানে প্রতিটি ফুট আকাশলাইনকে মহিমা প্রদান করে। ক্রীড়া জগতেও, বিশেষ করে বেসবলে, ১,৩৯০ ফুটের দূরত্ব মাঠের মাত্রা বা সবচেয়ে দীর্ঘ হোম রান নিয়ে আলোচনা করার সময় উল্লেখযোগ্য। এসব পরিমাপ বোঝা ভক্তদের সম্পৃক্ততা এবং খেলার প্রতি প্রশংসা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তেমনি, হাইকিং বা বাইকিংয়ের মতো বাইরের কার্যকলাপগুলিতে, প্রায় ১,৩৯০ ফুট দীর্ঘ ট্রেইলগুলো একটি অনন্য অভিজ্ঞতা দিতে পারে, যা অভিযাত্রীদের প্রকৃতির মধ্যে ডুব দিতে সক্ষম করে। আরও এটি বলা যায় যে, ১,৩৯০ ফুটের দৈর্ঘ্য পরিবেশ বিজ্ঞানেও প্রাসঙ্গিক, বিশেষ করে পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণী করিডোর নিয়ে আলোচনা করার সময়। এই পরিমাপগুলো অভিবাসনের পথ বা সংরক্ষিত এলাকাগুলোর আকার নির্ধারণ করতে পারে, যা প্রাকৃতিক বাসস্থানের সংরক্ষণের গুরুত্বকে তুলে ধরে। বিমান পরিবহণে, রানওয়ের দৈর্ঘ্যও আলোচনা বিষয় হতে পারে, যেখানে ১,৩৯০ ফুট কিছু নির্দিষ্ট বিমানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ, যা উড্ডয়ন এবং অবতরণের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। সার্বিকভাবে, ১,৩৯০ ফুটের দৈর্ঘ্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে, প্রকৌশল ও ক্রীড়া থেকে শুরু করে পরিবেশ বিজ্ঞান এবং বিমান পরিবহণ পর্যন্ত, গুরুত্ব বহন করে। এর প্রয়োগ বোঝা আমাদের আধুনিক জগতে স্থান নিয়ে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং ব্যবহার সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করতে পারে। এই জ্ঞান এই ক্ষেত্রগুলোর পেশাদারদের এবং তাদের নিজ নিজ আগ্রহের ক্ষেত্রে মাত্রার জটিলতা বোঝার জন্য উদ্যমী ব্যক্তিদের জন্য উপকারী।